‘ইসলামের নামে এইভাবে মানুষ মারা কি উচিত?’

 

একজন প্রশ্ন করেছেনঃ ‘ইসলামের নামে এইভাবে মানুষ মারা কি উচিত?’
.
উত্তরঃ দেখুন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান। এতে পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় সকল ব্যাপারে নির্দেশনা আছে। এতে যুদ্ধ ও শান্তির ব্যাপারেও বিস্তারিত নির্দেশনা আছে।
.
এরই অধীনে জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ – ইসলামের অন্যতম একটি নির্দেশ। একটি ফরজ। তবে যেভাবে মন চায় সেভাবে, যাকে ইচ্ছা তাকে হত্যা করা যাবে না। এর জন্য ইসলাম সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন দিয়েছে। সেই গাইডলাইন অনুসরণ করে জিহাদ করতে হবে।
.
আর জিহাদ মানে হচ্ছে যুদ্ধ। এতে উভয়পক্ষে আহত-নিহত হবেই। ইসলাম ছাড়া এই পৃথিবীতে যতগুলি মতাদর্শ আছে, যতগুলো পলিটিকাল সিষ্টেম আছে, সেগুলোতেও মানুষ হত্যার অনুমতি আছে।
.
আপনাদের গণতন্ত্রেও আপনারা মানূষ হত্যা করেন। বিচারিক আদালতের মাধ্যমে হোক কিংবা যুদ্ধের ময়দানে হোক কিংবা ক্রস ফায়ারে হোক।
.
সমাজতন্ত্রেও অনুরুপ অনুমোদন আছে।
.
এ রকম সকল পলিটিকাল সিষ্টেমেই যুদ্ধ / মানুষ হত্যার ব্যাপার আছে। আপনি কি কখনো গণতন্ত্র কিংবা সমাজতন্ত্রের ব্যাপারে এই প্রশ্ন করেছেন? কেন এগুলোর নামে মানুষ হত্যা করা হয়?
.
ইসলাম আর এসব ইজমের মধ্যে পার্থক্য হলোঃ ইসলাম আমাদেরকে জীবনের সকল বিভাগে গাইডলাইন দেয় যা এসকল ইজম দিতে পারে না।
.
আর এ সকল ইজম মানুষের তৈরী, মানুষের সীমিত জ্ঞান-প্রজ্ঞা দিতে তৈরী। পক্ষান্তরে ইসলাম আমাদের সকলের সৃষ্টিকর্তার তরফ থেকে প্রেরিত।
.
এখন আপনি মানুষের সীমিত জ্ঞানে তৈরী গণতন্ত্র আর সমাজতন্ত্রের নামে মানুষ হত্যা করাকে সমর্থন করতে পারলে, মহান আল্লাহর প্রেরিত দ্বীনের অংশ জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহর মাধ্যমে শরীয়াত অনুসরণ করে যুদ্ধ কেন আমি সাপোর্ট করবো না?

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s